ইমাম আল-বালি [রহিমাহুল্লাহ]

ইমাম আব্দুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ আল-হালাবি আল-দিমিশকি আল-হাম্বলি ২১ জুমাদুল উলা, ১১১০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ঘরভর্তি আহলুল-ইলম দিয়ে পরিপূর্ণ ছিল- তাঁর বাবা, দাদা, দাদার বাবা, ভাই- সকলেই। তিনি পিতার সাথে অল্প বয়সে কুর’আন শিক্ষা শুরু করেন এবং দশ বছর বয়সে শেষ করেন।

এরপর তিনি শাইখ আওওয়াদ আল-হাম্বলির কাছে আজরুমিয়্যাহ এবং আখসার আল-মুখতাসারাত অধ্যয়ন করেন। পরে তিনি শাইখ মুওয়াহিব আল হাম্বলির নিকট পাঁচ বছর ফিকহ এবং হাদিস অধ্যয়ন করেন। তাছাড়াও তিনি আব্দুল কাদির আল-তাগলিবির সাথে ১৫ বছর হাদিস, ফিকহ, ব্যকরণ, ফারায়েয এবং উসুল অধ্যয়ন করেন এবং সাধারণ ইজাজাহ লাভ করেন। এছাড়াও তিনি আরও অনেক শিক্ষকের নিকট হতে ইলম অর্জন করেন এবং ইজাজাহ লাভ করেন। সহিহ বুখারিতে সবচেয়ে ছোট চেইন লাভ করেন, যাতে মাত্র দশজন বর্ণনাকারী ছিল।

অনেক আলিম ইমাম আল-বালির প্রশংসা করেন। ইবনে বাদরান বলেন, “তিনি ছিলেন একজন ফকিহ, দক্ষ, সুবক্তা এবং কবি…।”

তিনি অনেক বই রচনা করেন, তাঁর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে- ইমাম সুয়ুতির জামি আস-সাগিরের মুখতাসার যেখানে তিনি শুধু ইমাম আহমদ, ইমাম বুখারি এবং ইমাম মুসলিমের বর্ণনা করা হাদিসগুলোতে সীমাবদ্ধ থেকেছেন, হাম্বলি ফিকহে বিদায়াতুল আবিদ ওয়া কিফায়াতুল জাহিদ এবং এর ব্যাখ্যা, আখসার আল মুখতাসারাতের ব্যাখ্যা “কাশফ আল-মুখাদারাত” ইত্যাদি।তিনি আলেপ্পো থাকতেন, যেখানে অনেক ধার্মিক মানুষ তাকে জীবিকার জন্যে সাহায্য করতেন। ১১৯২ হিজরিতে তিনি দুনিয়া ছেড়ে চলে যান, আল্লাহ্‌ তাঁর উপর রহম করুক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *