তারাবি-তাহাজ্জুদের পার্থক্য এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়সমূহ

কিয়ামুল লাইল- রাত্রির নামাজকে বলা হয়। এটা সারা বছর ধরেই থাকে। এশার পর থেকে ফজর পর্যন্ত যেকোন নফল নামাজকে কিয়াম ধরা হয়।

তাহাজ্জুদ- কিয়ামুল লাইলের একটি প্রকার। আদায় করা মুস্তাহাব। সুন্নতে মোয়াক্কাদাহ নয়। এশা পড়ে ঘুম থেকে উঠে আদায় করা হয়। আদায় করার উত্তম সময় শেষ রাত্রি। রাকাত সংখ্যা নির্দিষ্ট নেই।

তারাবী- কিয়ামুল লাইলের একটি প্রকার। রমজানে পড়া হয়। রাকাত সংখ্যা নির্দিষ্ট- বিশ। ২০ এর নীচে পড়লে তারাবী বলে গণ্য হবেনা,,,,বরং নরমাল কিয়ামুল লাইল হবে। জামায়াতের সাথে আদায় করা সুন্নতে মোয়াক্কাদাহ। আদায় করার উত্তম সময় রাত্রির প্রথমাংশ (এশার পর)।

তা’কীব- বিতির নামাজ শেষ হলে যেসব নফল নামাজ পড়া হবে। যেমন- আপনি তারাবী ও বিতির নামাজ ইমামের সাথে সম্পন্ন করেছেন। অত:পর বাসায় গিয়ে যে নফল কিয়াম করবেন তাকে তা’কীব বলা হবে। মাজহাব অনুযায়ী তা’কীবের হুকুম জায়েজ, মাকরুহ নয়। তবে মুস্তাহাব না। এদিকে রাসুলুল্লাহ দঃ বলেছেন রাত্রের শেষ নামাজ বিতির করো। এটা আমল করতে চাইলে ইমাম বিতিরের সালাম ফেরালে দাড়িয়ে গিয়ে এক রাকাত পড়ে নিবেন। পড়ে ঘুমিয়ে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে এক/তিন/পাচ/সাত/নয়/এগারো রাকাত বিতির পরে রাত সমাপ্ত করবেন।

2 thoughts on “তারাবি-তাহাজ্জুদের পার্থক্য এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়সমূহ”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *