যিলহজ মাসের তাকবির সংক্রান্ত কিছু মাস’আলা

হাম্বলি মাযহাব অনুসারে যিলহজ্জ্ব মাসে তাকবীর সংক্রান্ত কিছু মাস’আলাঃ 

————————————————————————-

১) যিলহজ্জ্ব মাসে দু’ধরনের তাকবীর আছে এবং দু’প্রকারই সুন্নাহ।

২) অনির্দিষ্ট তাকবীরের সময় শুরু হয় যিলহজ্জ্বের ১ তারিখ থেকে এবং ঈদের খুতবার পর এর সময় শেষ হয়। 

৩) মসজিদ, বাড়ি, বাজার সর্বত্র তাকবীর দেয়া সুন্নাহ। পুরুষেরা উচ্চস্বরে এবং মহিলারা নিচুস্বরে তাকবীর দিবে। 

৪) হাজী ব্যতীত অন্যদের জন্য নির্দিষ্ট তাকবীরের সময় হলো,  আরাফার দিনের ফজর থেকে ১৩ যিলহজ্জ্বের আসর পর্যন্ত [অর্থাৎ মোট ২৩ ওয়াক্ত], জামাতে আদায়কৃত প্রত্যেক ফরয সালাতের সালাম ফেরানোর পর।

৫) মুসাফির এবং ভাল মন্দ পার্থক্য করতে পারে এমন ছোট বাচ্চাদের জন্যও মুকীম এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মতই তা সুন্নাহ।

৬) নফল সালাত, জানাযার সালাত, একাকী আদায়কৃত সালাতের পর তাকবীর দেয়া সুন্নাহ নয়।

৭) কেউ তাকবীর দিতে ভুলে গিয়ে দাঁড়িয়ে গেলে অথবা ভুলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে সালাতের স্থান ত্যাগ করলে, আবার ফেরত এসে বসে তাকবীর দিবে। তবে কেউ হাঁটতে হাঁটতে তাকবীর দিলে কোন সমস্যা নেই। তবে অযু ভেঙ্গে গেলে বা মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেলে বা অনেক সময় অতিবাহিত হয়ে গেলে, সে সুন্নাহ হাতছাড়া করে ফেলেছে।

৮) ইমাম তাকবীর দিতে ভুলে গেলে, মুস্ললী একাই তাকবীর দিবে। জামাতে পরে আসা ব্যক্তি, তার সালাত আদায় শেষে তাকবীর দিবে। 

৯) ঈদের সালাতের সালাম ফিরিয়ে তাকবীর দেয়া সুন্নাহ নয়।

১০) তাকবীরের শব্দাবলীঃ “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ”।

[তথ্যসূত্রঃ শারহুল মুনতাহা]

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *