রোযা ও ঈদ- লোকাল নাকি গ্লোবাল?

মাজহাবের সহীহ মত গ্লোবাল মুন সাইটিং। ইত্তেহাদুল মাতালে। কোন রাষ্ট্র বা মহকুমার প্রশাসন হাম্বলী হলে তারা গ্লোবাল মুন সাইটিং এর জন্য চাঁদ দেখা কমিটি বানাবেন।

বাংলাদেশে ইসলামী হুকুমত কোর্ট কাচারী নেই। কিন্তু মুসলিম শাসকদের তত্ত্বাবধায়নে হানাফী আলেমে কেরাম রিলিজিয়াস সার্ভিস দেন।তাহলে হাম্বলী মোকাল্লেদীন আম জনতা কি করবে যখন গ্লোবাল আর লোকাল আলাদা দিন?

শরহে ওমদায় বর্ণিত,, ইমাম আহমদ বলেনঃ” তিনটি জিনিস সুলতানের জন্য। নামাজ, রোজা আর জিহাদ”। ঈদ অন্তর্ভুক্ত হবে রোজার মাসালায়। সুলতান যখন থাকবেনা সাধারণ মানুষ তখন অস্থায়ী সমাধান হিসেবে নিজস্ব কমিউনিটির হাইয়ায়ে ওলামার সিদ্ধান্ত মেনে চলবে। শায়খ আব্দুল ওয়াহেদ হাম্বলী বলেন, মোকাল্লেদীনদের জন্য উচিত আহলে বালাদ অর্থাৎ স্থানীয়দের সাথে ঈদের নামাজ পড়া। বর্তমান হাম্বলী মুফতিরা স্থানীয়দের বিপরীতে ঈদ রোজা করতে উতসাহিত করেন না। কমিউনিটির সবাই লোকাল হলে গ্লোবালীদের জন্য ফেতনা ছড়ান জায়েজ নেই।

উস্তাদ জাহেদ ফেত্তাহ বলেছেন,

“আশা করা যায়, রমযান সোমবার থেকে শুরু হবে এই ব্যাপারে দ্বিমত থাকবে না, কিন্তু যদি হয়, নিঃসন্দেহে তোমার উচিত সমাজের অধিকাংশের সাথে যাওয়া। এটি হচ্ছে একটি জামাআতবদ্ধ প্রচেষ্টা, এবং কেবলমাত্র একটি ইজতিহাদি বিষয়ের কারণে তোমার মুসলিমদের জামাআতের বিরুদ্ধে যাওয়া উচিত হবে না । মুফতি, শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম হাম্বলি হওয়া সত্ত্বেও এই ব্যাপারে উপদেশ দিয়েছেন, তাছাড়া আরও অনেক আলিমগণ।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *