লাইলাতুল ক্বদর

প্রতীক্ষিত যে, ক্বদরের রাত রমাদানের শেষ দশদিনের মধ্যে কোন একদিনে।[[এর ভিত্তি হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস, তিনি বলেছেন, “তোমরা রমাযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান কর।”— সহীহ বুখারী, ২০২০(১৮৯০)

আর সহীহাইনে বর্নিত হয়েছে, (নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,) “যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বদরে ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রাত জেগে ‘ইবাদত করে, তার পিছনের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করা হবে।— সহীহ বুখারী, ১৯০১(১৭৭৭)

ইমাম আহমদের বর্ণনায় আরও আছে, “এবং পরবর্তীতে যা আসবে” — আহমদ, ২৭১৩

একে ক্বদরের রাত নামকরণের কারণ–ঐ বছর যা কিছু হবে তা নির্ধারণ করার কারণে; কিংবা আল্লাহর নিকট এই রাতের মহান মর্যাদার কারণে; কিংবা এই রাতের অধিক মর্যাদার কারণে। এগুলো হলো সর্বোত্তম রাত্রি]]

এগুলোর মধ্য হতে বিজোড় রাত্রিগুলো অধিক তাৎপর্যপূর্ণ[১], বিশেষ করে ২৭ তম রাত্রি[২]।

[[১- এর ভিত্তি হলো,নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী,“তোমরা এ রাতটিকে রামাযানের নয় দিন বাকী থাকতে বা সাতদিন বাকী থাকতে বা পাঁচ দিন বাকী থাকতে, তিন দিন বাকী থাকতে বা এর শেষ রাতে অণ্বেষন কর”— সুনান আত-তিরমিযী,৭৯৪(৭৯২)

২- ইবন আব্বাস, উবাই বিন কাব এবং অন্যান্যদের বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে। — ইবন খুযাইমাহ্, ২১৭২; হাকিম, ১/৪৩৭।এর তারিখ লুক্কায়িত থাকার হিকমাহ[রহস্য] হলো, যেন লোকেরা রমাদানের শেষ দশকের সবগুলো রাতেই সক্রিয় থাকে।]]

{ব্যক্তি এ রাতে অধিক দু‘আ করবে কারণ তা কবুল করা হবে। মুস্তাহাব হলো,} তাতে (আইশা রাদিআল্লাহু আনহুমা হতে) বর্ণিত দু‘আটি করা,اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي .

[[আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন রাতটি লায়লাতুল ক্বাদর, এ কথা যদি আমি জানতে পারি তবে সে রাতে কি দু-আ করব? তিনি বললেন, বলবে,اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيহে আল্লাহ! তুমি তো খুবই ক্ষমাশীল, ক্ষমা করাই তুমি ভালবাসো। সুতরাং ক্ষমা করে দাও আমাকে।— সুনান আত-তিরমিযী, ৩৫১৩; আহমদ(২৫৩৮৪); ইবনে মাজাহ, ৩৮৫০]]

— মনসুর বিন ইউনুস আল-বুহুতি, উমদাতুত ত্বলিব [[উসমান আন-নাজদী, হিদায়াতুর রাগিব ]]

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *