লাল নেকলেস…

“হজ শেষ হওয়ার পরপরই আমি একটা লাল নেকলেস খুঁজে পাই। উপরে একটি মুক্তা ছিল। হঠাৎ একজন বয়স্ক মানুষ এটা খুঁজতে শুরু করলেন। তিনি ঘোষণা দিলেন যিনি এটা খুঁজে পাবেন তাকে ১০০ দিনার দিবেন। তো আমি গিয়ে শুধু জিনিসটা তাকে দিয়ে দিলাম।

সে বলল, “টাকাটা রাখ”, কিন্তু আমি নিলাম না। এরপর আমি শামের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম, সেখানে কুদস পরিদর্শন করলাম। এরপর বাগদাদের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম, তবে আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম এবং শীতে কাঁপছিলাম। ফলে আমাকে হালাবের মসজিদে রাত কাটাতে হল। তাঁরা আমাকে দিয়ে সালাতে ইমামতি করাতে চাইল। তাই তাঁরা আমাকে খাওয়ানোর পর আমি তাদের সালাতে ইমামতি করলাম। কাহিনীটা রমযানের শুরুর দিকে ছিল। তাঁরা আমাকে বলল,

‘আমাদের ইমাম মারা গেছেন, অনুগ্রহ করে এই মাসের বাকিটুকুতেও আমাদের ইমামতি করুন।’

এরপর তাঁরা বললেন, ‘আমাদের ইমামের একটা মেয়ে আছে…’ তো এরপর তাঁরা আমাকে উনার মেয়ের সাথেও বিয়ে করালো। সে একটি শিশুর জন্ম দেয়, কিন্তু এতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। একদিন আমি তাঁর যত্ন নিচ্ছিলাম এবং তাকে খেয়াল করছিলাম, হঠাৎ দেখলাম তাঁর গলায় একটি নেকলেস। ঠিক সেরকম। তাকে [স্ত্রীকে] বললাম, “এই নেকলেসের একটা গল্প আছে…’ এরপর তাকে গল্পটা খুলে বললাম।

সে চোখে পানি নিয়ে বলল,”আপনিই সে! ওয়াল্লাহি, আমার বাবা কাঁদতেন এবং বলতেন, “হে আল্লাহ্‌, আমার কন্যাকে এমন পুরুষের সাথে বিয়ে দিয়ো যে আমাকে নেকলেসটি ফিরিয়ে দিয়েছিল!” আল্লাহ্‌ তাঁর দু’আ কবুল করেছেন।” এরপর সে [স্ত্রী] মারা যায়। চলে আসার সময় উত্তরাধিকারের সম্পদের সাথে নেকলেসটিও নিলাম এবং বাগদাদে চলে এলাম।”

– ইমাম ইবনে আকিল আল-হাম্বলি [র][ইবনুল জাওযির নাতি আবুল মুযাফফার বর্ণনা করেছেন]

Taken from: The Hanbali Madhhab

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *