সবক্ষেত্রে এক মাযহাব অনুসরণ করা

আমাদের মাযহাব অনুযায়ী, সর্ব অবস্থায় এক মাযহাব অনুসরণ করা ওয়াজিব নয়। তাই, এক মাসয়ালায় এক মাযহাব বা আলিমের অনুসরণ এবং আরেক মাসয়ালায় ভিন্ন কোন মাযহাব অনুসরণ করা বৈধ। (তবে তা) এই শর্তে যে, তা আপনি সাধারণত আপনার সুবিধা এবং খায়েশাত অনুযায়ী করবেন না।

[সুত্র: শরাহ আল-তাহরির || ইমাম আল-মারদাওয়ি রাহিমাহুল্লাহ]

এটাই মাযহাবের মু’তামাদ মত। অন্য আলিমগণ হয়ত দ্বিমত করবেন, কিন্তু আমরা আমাদের মু’তামাদ মত ব্যাখ্যা করেছি যা আল-মারদাওয়ি এবং ইবনুন নাজ্জার [রাহিমাহুল্লাহ] কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে। এবং এটাই চার মাযহাবের জমহুর ওলামাগণের মত। মুখলিসদের জন্যে এই বিধান স্পষ্ট এবং অনুসরণ করা সহজ। আর যারা নিজেদের খায়েশাতের অনুসরণ করতে চায়, (তাদের মনে রাখা উচিত) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা সব বিষয়ে সম্যক অবগত।

একই বিষয়ে একাধিক আলেমকে প্রশ্ন করা প্রসঙ্গে শাইখ মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাম্বলি বলেছেন,

উত্তর: (কোন) প্রশ্নকারীর একাধিক আলেমকে জিজ্ঞাসা করা উচিত নয়। আপনি চার বা পাঁচ জন আলেমকে জিজ্ঞাসা করেন, তারপরে আপনি দাবি করেন যে আপনি সংশয়ে আছেন। আপনি নিজের উপর কঠোর হয়েছিলেন তাই ব্যাপারগুলো আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল, যা (পূর্বে) ঘটেছিল বনি ইসরায়েল এর সাথে। আপনার দ্বায়িত্ব হলো এমন কাউকে খুঁজে বের করা যার ধার্মিকতা এবং জ্ঞানকে আপনি বিশ্বাস করেন, এবং তাকে জিজ্ঞাসা করুন। একজন নির্ভরযোগ্য মুফতিকে খুঁজে বের করা, বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রশ্ন করে সময় নষ্ট করার থেকে উত্তম।

সোর্স- দা হাম্বলি মাযহাব [১] [২]

(বিস্তারিত জানতে আমাদের প্রকাশিতব্য “মাযহাব এবং তাক্লিদ” সংকলন কিতাবটি দেখুন)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *