সালাতে খুশুর বিধান এবং গুরুত্ব

কেউ যদি সূরা ফাতিহা সঠিকভাবে তিলাওয়াত করে কিন্তু তার অন্তর তখন উপস্থিত না থাকে, তাহলে সালাত কি বাতিল হবে?

শাইখ করিম হিলমি আল-হাম্বলি বলেছেন,- নাহ, বাতিল হবে না। তবে অন্তর উপস্থিত রাখার জন্যে সাধনা করো, যাতে পূর্ণ সওয়াব পেতে পারো ইনশা আল্লাহ্‌।”

শাইখ ইবনে আকিল আল-হাম্বলি (র) বলেছেনঃ “…অন্তর থেকে দূরে সরা। এটা হচ্ছে সালাতে অন্তর উপস্থিত না থাকা। এটা মাকরুহ, তবে সালাত বাতিল হবে না। যদি এটা চালিয়ে রাখে, তাহলে সওয়াব কমে যাবে। যদি সে এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে, তাহলে ক্ষতি হবে না।” [তাহকিকুল মুরাদ ফি শারহি মতন আল-যাদ, (প্রকাশঃ দার ইবনুল জাওযি) পৃষ্ঠা- ১১৮]

খুশুর গুরুত্ব এবং উপকারিতা অনেক। শাইখ করিম হিলমি বলেছেন,

“যদি তুমি বুঝতে পারো যে সালাতের শুরুর তাকবীর আত্মাহীন শব্দে পরিণত হয়েছে, সে শব্দের ভক্তি এবং অর্থ তোমার অন্তরে প্রতিধনিত হয় না…তাহলে তোমার সালাতের জন্যে ভয় করো, তোমার নিজের জন্যে ভয় করো!”

খুশুযুক্ত সালাতের ব্যাপারে ইমাম ইবনুল কায়্যিম [র] বলেছেনঃ “এমন ব্যক্তির জন্যে সালাত হলো ফুলের বাগানের মত। আত্মার প্রশান্তি। চোখের শীতলতা। নাফস এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সুখ। সে সালাতে আল্লাহ্‌র নিয়ামাতসমূহ উপভোগ করে। তার স্বাদ আস্বাদন করে। এমন নি’য়ামাত যা সর্বদাই নতুন। তাঁরা সালাতের দ্বারা যা লাভ করার তা তো পায়-ই, সাথে লাভ করে বিশেষ নৈকট্য এবং মর্যাদা।” (খুশু-খুযু , পৃষ্ঠা ৭১)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *