হাম্বলি মাযহাব

বিংশ শতাব্দির তুলনামুলক ফিকহের আলিমদের থেকে হাম্বলি মাযহাবের ব্যাপারে সাক্ষ্য

আল-শাইখ, আল-ফকিহ আবু জাহরা তাঁর কিতাব “ইবনে হানবাল”-এ বলেছেন, لقد فتح المذهب الحنبلي باب الاجتهاد على مصراعيه، وكثير من المسائل المعاصرة لا تُخرَّج إلا على قواعده”. “হাম্বলি মাযহাব বিস্তরভাবে ইজতিহাদের দরজা খুলে দিয়েছে। সাম্প্রতিক অনেক মাসায়েল উক্ত মাযহাবের কাওয়াইদ ব্যতীত উদ্ভুত হয় না।” আল-শাইখ আল-ফকিহ, মুস্তাফা যারকা রহিমাহুল্লাহ বলেছেন, المذهب الحنبلي هو المذهب الجدير بالاستمرار …

বিংশ শতাব্দির তুলনামুলক ফিকহের আলিমদের থেকে হাম্বলি মাযহাবের ব্যাপারে সাক্ষ্য Read More »

হাম্বলি মাযহাবে আলেমদের অবদান

৫০০ এর অধিক আলিমগণ ইমাম আহমদের মাযহাব পড়েছেন, পুনঃযাচাই করেছেন, ব্যাখ্যা করেছেন; এবং মাযহাব, এর উসুল এবং কাওয়াইদ শিখিয়েছেন, এবং ১৪০০ এর অধিক কিতাব রচনা করা হয়েছে। [সুত্রঃ আল-মাদখাল আল মুফাসসাল, শাইখ বকর আবু যাইদ]

হাম্বলিরা কি ইবাদাতে কিয়াসকে প্রত্যাখ্যান করে?

ইবাদাতের ক্ষেত্রে কি হাম্বলিরা কিয়াসকে প্রত্যাখ্যান করে? – “ঠিক তা নয়। কিয়াসের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে। কিয়াস আল-ইল্লাহ সাধারণত ইবাদাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কেননা ইবাদাত পুরোপুরি অনুসরণের উপর ভিত্তিশীল। তবে আরেক ধরণের কিয়াস রয়েছে- “কিয়াস আল-শাবাহ”, যেটা হাম্বলি এবং অন্যান্যরা ব্যবহার করে। এই কিয়াস দুটো জিনিসের মধ্যে দৃঢ় সাদৃশ্যের উপর ভিত্তিশীল। যেমন, “বিসমিল্লাহ” পাঠ করার হাদিস …

হাম্বলিরা কি ইবাদাতে কিয়াসকে প্রত্যাখ্যান করে? Read More »

হাম্বলিদের ইমামগণ সংক্রান্ত কিছু পরিভাষা

হাম্বলি কিতাবাদিতে মাযহাবের বিভিন্ন আলেমদের ইঙ্গিত করতে বিভিন্ন পরিভাষা ব্যবহার করা হয়। তাই কিছু বেসিক পরিভাষা জেনে রাখা জরুরি, এমন কয়েকটি হলঃ আল-কাদ্বি/কাযিঃ মধ্যবর্তী যুগে (মুতাওয়াসসিতিন) অষ্টম শতক পর্যন্ত আল-কাযি বলতে কাযি আবু ইয়ালাকে বুঝানো হয়। তাকে “শাইখুল মাযহাব“ও বলা হয়। আর পরবর্তী যুগে (মুতাআখখিরিন), যেমন আল-ইকনা বা আল-মুনতাহার লেখকদের নিকটে আল-কাযি হচ্ছেন ইমাম আলাউদ্দিন আলি বিন সুলাইমান …

হাম্বলিদের ইমামগণ সংক্রান্ত কিছু পরিভাষা Read More »

মাযহাব কি শেষযুগে এসে বিকৃত হয়েছে?

শেষ দিকের হাম্বলীরা ইমাম আহমদের মাজহাব বিকৃত করেছে বলে কেউ কেউ অভিযোগ করে। তাদের জবাবে শায়খ আহমদ কোয়াইমী আল-আহসা’য়ী হাফিজাহুল্লাহ বলেনঃ- “সম্প্রতি আমি আবুল খাত্তাবের আল হেদায়াহ এবং কাজী আবু ইয়ালার জামিউস সগীর অধ্যয়ন করছিলাম। মনে হল যেন আল মুনতাহা, আল ইকনা অথবা আর রওদুল মুরবী পড়ছি। (আমাদের) মাজহাব এক ও অবিচ্ছিন্ন। হাম্বলী মাজহাবের কথা …

মাযহাব কি শেষযুগে এসে বিকৃত হয়েছে? Read More »

মুতাআখ্‌খিরীন হাম্বালীগণ কীভাবে মু’তামাদে পৌঁছেছেন? মু’তামাদের বাইরে ফাতওয়া দেবার বিধান কী?

ইমাম ‘আলাউদ্দীন আল মারদাওয়ী রহিমাহুল্লাহ তার আল ইনসাফ কিতাবের মুকাদ্দিমাতে বলেন: লক্ষ্যণীয়: জেনে নাও! আল্লাহ তোমাকে ও আমাদের তাওফীক দিন, এই কিতাবে আমার অনুসৃত পদ্ধতি হচ্ছে ইমাম আহমাদ ও আসহাব থেকে উদ্ধৃতি প্রদান। আমি যেকোন কিতাব থেকে যা উদ্ধৃত করি তার রেফারেন্স দেই এবং যেকোন আলেম থেকে যা বর্ণনা করি তা তার প্রতি যুক্ত করি। …

মুতাআখ্‌খিরীন হাম্বালীগণ কীভাবে মু’তামাদে পৌঁছেছেন? মু’তামাদের বাইরে ফাতওয়া দেবার বিধান কী? Read More »

মুতামাদ নির্ধারণের পদ্ধতি- শাইখ ইবনে আকিল

‘আল্লামাহ্ শাইখ ‘আবদুল্লাহ্ ইবন ‘আকিল রহিমাহুল্লাহ্ বলেন, মাযহাবের মু’তামাদ তাই যার উপর নিম্নোক্ত দুটি বইয়ের মত সম্মত হবে: ১- ইমাম ইবন আল নাজার আল ফুতুহি(মৃ. ৯৭২হি.)-এর “মুনতাহা আল ইরাদাত”।২- ‘আল্লামাহ্ মূসা আল হাজ্জাওয়ী রহিমাহুল্লাহ্(মৃ. ৯৬৮ হি.)-এর “আল ইক্বনা’ লি ত্বলিবিল ইনতিফা” মাযহাবের মু’তামাদ জানার তৃতীয় বই হলো, ৩- ইমাম মারঈ’ আল কারমী রহিমাহুল্লাহ্(মৃ. ১০৩৩ হি.)-এর গায়াতুল মুনতাহা ফিল …

মুতামাদ নির্ধারণের পদ্ধতি- শাইখ ইবনে আকিল Read More »